২০১৬ সাল বাংলাদেশের গণমাধ্যম স্বাধীনতার জন্য ছিল দমনমূলক

বাংলাদেশে গণমাধ্যম স্বাধীনতার জন্য ২০১৬ সাল ছিল দমনমূলক। মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিয়ে কাজ করা লন্ডনভিত্তিক প্রতিষ্ঠান আর্টিকেল ১৯ বাংলাদেশ নিয়ে তাদের বার্ষিক প্রতিবেদনে এ কথা বলেছে। ‘বাংলাদেশ: ভায়োলেশন্স এগেইন্সট জার্নালিস্ট অ্যান্ড অনলাইন অ্যাক্টিভিস্টস ইন ২০১৬’ শীর্ষক রিপোর্টে বলা হয়, ২০১৬ সালে প্রিন্ট, ইলেক্ট্রনিক ও অনলাইন মিডিয়ায় কর্মরত সংবাদকর্মী ও অনলাইন অ্যাক্টিভিস্টদের বিরুদ্ধে কমপক্ষে ৩২০টি অধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেছে। মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সীমিত করার এসব প্রচেষ্টার মধ্যে ছিল, শারীরিকভাবে ক্ষতি করার চেষ্টা, হত্যা, হত্যাচেষ্টা, গুম, গুমের চেষ্টা, হুমকি-ধামকি, মামলার মাধ্যমে হয়রানি ইত্যাদি। এসব অধিকার লঙ্ঘন থেকে ‘সাংবাদিকদের নিরাপত্তা এবং দেশের নাগরিকদের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষার্থে’ আর্টিকেল ১৯ কিছু সুপারিশ তুলে ধরেছে তাদের প্রতিবেদনে। এর মধ্যে রয়েছে, সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে হওয়া সকল সহিংসতা দ্রুত ও কার্যকর তদন্ত করে দণ্ডমুক্তির ইতি আনা, সাংবাদিক ও অ্যাক্টিভিস্টদের নিজ নিজ কাজ করার জন্য নিরাপদ ও সহায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করা, আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে তথ্যপ্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারা বাতিল করা এবং এ ধারার অধীনে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে আনিত মামলাগুলো বাতিল করা, মানহানিকে ফৌজদারি অপরাধ করা সকল আইন বাতিল করে এর পরিবর্তে দেওয়ানি মানহানির বিধান আনা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে অধিকার লঙ্ঘনের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা কর্মকর্তাদের যথাযথ প্রশিক্ষণ দেয়া।