‘বিএনপিকে নিশ্চিহ্ন করতে চায় সরকার’

বিএনপিকে নিশ্চিহ্ন করতে গুলশান থেকে সরকার বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক কার্যালয় সরানোর চেষ্টা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।

বুধবার বিকালে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচতলায় এক দোয়া মাহফিলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির
দুজন সদস্য এসব কথা বলেন। বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী ও যুবদল সভাপতি সৈয়দ মোয়াজ্জেম
হোসেন আলালের ছেলে আরাফাত আবদুল্লাহর সুস্থতা কামনায় যুবদল ওই দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেন, বিএনপির একটি কার্যালয় সরিয়ে দিয়ে বিএনপিকে স্তব্ধ করা যাবে না।
তখন ঢাকাসহ সারা দেশের ঘরে ঘরে বিএনপির চেয়ারপারসনের কার্যালয় তৈরি হবে। তিনি বলেন, গুলশান থেকে খালেদা জিয়ার
কার্যালয় সরিয়ে দিলে নেতা-কর্মীরা তখন বিএনপি চেয়ারপারসনের বাড়িতেই যাবেন। এটিই স্বাভাবিক।

মির্জা আব্বাস বলেন, সারা দেশে বিএনপির প্রতিটি কার্যালয় হলো খালেদা জিয়ার কার্যালয়। সেটা কোথাও আবাসিক এলাকাতে,
আবার কোথাও বাণিজ্যিক এলাকায়। কোনো রাজনৈতিক দলের অফিস কোন এলাকায় থাকবে, সরকার থেকে এমন কোনো
দিকনির্দেশনা কখনো দেওয়া হয়নি। এমন কোনো আইনও পাস হয়নি। তিনি প্রশ্ন রাখেন, এমন নিশ্চয়তা কি দেওয়া হবে যে
গুলশান থেকে খালেদা জিয়ার কার্যালয় সরিয়ে দিলে দেশে আর কোনো ঘটনা ঘটবে না? গুলশান থেকে কার্যালয় সরানোর পরেও
যদি এ ধরনের ঘটনা ঘটে, তাহলে এর দায়িত্ব কে নেবে।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় অভিযোগ করেন, বিএনপিকে নিশ্চিহ্ন করতে সরকার দলটির
চেয়ারপারসনের গুলশান কার্যালয় সরাতে চায়। সরকার যদি নিশ্চয়তা দেয় যে কার্যালয়টি সরালে এ ধরনের জঙ্গি হামলা ঘটবে
না, তাহলে কার্যালয় সরিয়ে নেওয়া হবে।

এতে উপস্থিত ছিলেন-বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট আবেদ রাজা, যুবদলের সহ-সভাপতি আব্দুল খালেক,
সাংগঠনিক সম্পাদক আ ক ম মোজাম্মেল হক, যুগ্ম সম্পাদক অমলেন্দু দাস অপু, উত্তরের সহ-সভাপতি কফিল উদ্দিন ভুইয়া,
কেন্দ্রীয় সদস্য গিয়াস উদ্দিন মামুন; ছাত্রদলের সহ-সভাপতি নাজমুল হাসান, দপ্তর সম্পাদক আব্দুস সাত্তার পাটোয়ারী প্রমুখ।