বাংলাদেশে প্রবেশের অপেক্ষায় হাজারো রোহিঙ্গা

  1. সীমান্তের জিরো পয়েন্টে জিরো পয়েন্টে হাজারো রোহিঙ্গা বাংলাদেশে প্রবেশের অপেক্ষায় রয়েছে। জারো রোহিঙ্গা বাংলাদেশে প্রবেশের অপেক্ষায় রয়েছে। গতকাল বিকাল ৫টায় ঘুমঘুম তমব্রু এলাকার জলপাইতলী গ্রামে প্রায় ১ হাজার রোহিঙ্গা ঢুকে পড়েছে। এদের মধ্যে নারী-শিশুদের সংখ্যা বেশী।
    এলাকার জলপাইতলী গ্রামে প্রায় ১ হাজার রোহিঙ্গা ঢুকে পড়েছে। এদের মধ্যে নারী-শিশুদের সংখ্যা বেশী।
    মধ্যম তুমব্রু ও পশ্চিমকুলে, নির্যাতিত রোহিঙ্গা পরিবার জিরো পয়েন্টের খালের ওপর তাবু গেড়েছে। ওই এলাকার বাসিন্দা দীল মোহাম্মদের ছেলে মো. ফারুখ জানান, বৃহস্পতি ও শুক্রবার ২ দিনে অন্তত ১ হাজার রোহিঙ্গা প্রবেশ করে বিভিন্নস্থানে চলে গেছে। এদের মধ্যে ৪জন গুলিবিদ্ধ ছিল।বিজিবি সদস্যদের উপস্থিতির পর তারা সেখানে তাবু গেড়ে আশ্রয় নিয়েছে। তবে যে কোন সময় ফাঁকফোকর পেলেই ঢুকে পড়তে পারে।

    , শনিবার বিকাল ৫টায় ঘুমধুম জলপাইতলী এলাকায় আরো ১ হাজার রোহিঙ্গা নারী, শিশু ও বৃদ্ধ সীমান্তের জিরো পয়েন্ট ক্রস করে ঢুকে পড়েছে। এসময় রোহিঙ্গাদের আহাজারিতে পরিবেশ বিষিয়ে ওঠে। বিজিবি সদস্যরা বাঁধা দিলে সেখানেই তারা অবস্থান করছে।
    তুমব্রু প্রাইমারি স্কুলের প্রধান শিক্ষক হামিদুর হক জানান, মিয়ানমারের সেবাহিনী গত ৩দিন ধরে উপুর্যপরি গোলা বর্ষণ করায় গোটা ঘুমধুম এলাকায় বসবাসরত মানুষ আতংকিত হয়ে পড়েছে।
    অপরদিকে ২৫ আগষ্ট মিয়ানমার থেকে আসা সীমান্তের পালংখালী ইউনিয়নের আনজিমান থেকে ধামনখালী পর্যন্ত প্রায় ৫ কিলোমিটার নাফনদীস্থ বেড়ীবাঁধের ওপর ৩ হাজার রোহিঙ্গা এখনো একই জায়গায় অপেক্ষায় রয়েছে। সেখানে ও বিজিবির সদস্যরা মোতায়েন রয়েছে।
    পালংখালী ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোজাফফর আহমদ বলেন, শুক্রবার সকাল থেকে প্রায় ৩ হাজার রোহিঙ্গা নাগরিক নাফ নদীর তীরে বেড়ীবাঁধে অবস্থান করছে। তিনি বলেন, সকাল থেকে আসা এসব রোহিঙ্গারা যাতে গ্রামে ঢুকতে না পারে স্থানীয় ইউপির চৌকিদারও গ্রাম পুলিশ দিয়ে পাহারায় রাখা হয়েছে।