হঠাত বিপর্যয়ে চট্টগ্রাম অঞ্চল কয়েক ঘন্টা অন্ধকারে

হাটহাজারী  গ্রীড সাবস্টেশনে যান্ত্রিক গোলযোগের কারণে চট্টগ্রাম, রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি জেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহে বিপর্যয় তৈরি হয়েছে।

বুধবার (১১ অক্টোবর) দুপুরে পৌনে এক ঘন্টা ধরে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন ছিল পুরো চট্টগ্রাম। সেটি চালু হওয়ার পর সন্ধ্যা থেকে আবার বিপর্যয় দেখা দিয়েছে হাটহাজারি সাব স্টেশনে। এরপর থেকে অন্ধকারে রয়েছে গোটা শহর।

চট্টগ্রামে পিডিবির সিনিয়র সহকারী পরিচালক মনিরুজ্জামান জানান, বুধবার বিকাল সাড়ে ৫টায় হাটহাজারী  সাব স্টেশনের ব্রেকার নষ্ট হয়ে গেলে সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়।মেরামত শেষে সাড়ে ৭টার দিকে আবার সরবরাহ শুরু হলেও চার জেলার অধিকাংশ এলাকা তখনও বিদ্যুৎহীন ছিল।

এর আগে বেলা পৌনে ১টার দিকে হাটহাজারী-কাপ্তাই ও হাটহাজারী-ফেনী সঞ্চালন লাইনে কারিগরী ত্রুটির ফলে চট্টগ্রামে পৌনে এক ঘন্টা বিদ্যুৎ ছিল না।

পিডিবি কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান  বলেন, “দুপুরে সঞ্চালন লাইনে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বিদ্যুৎ ছিল না। বেলা ১টা ২৫ মিনিটে ত্রুটি সারনোর পর ধীরে ধীরে বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হয়।কিন্তু বিকালে হাটহাজারী গ্রিড সাবস্টেশনে গোলযোগ দেখা দিলে আবারও সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায় জানিয়ে তিনি বলেন, “৭টার পর থেকে বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ আবার শুরু করা গেছে।”

হাটহাজারী-কাপ্তাই ও হাটহাজারী-ফেনী জাতীয় গ্রীডে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয় । চট্টগ্রাম হাটহাজারী গ্রীড সাব স্টেশনে জাতীয়  গ্রীড থেকে বিদ্যুৎ গ্রহণ করে চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করা হয়। ফলে দুটো ঘটনাতেই পুরো চট্টগ্রাম বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়ে।

পিডিবি চট্টগ্রাম অঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী প্রবীর কুমার দাশ গ্রিড সাবস্টেশনের ব্রেকার মেরামতের কথা জানিয়ে বলেন, “ধীরে ধীরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসবে।”

চট্টগ্রাম অঞ্চলে প্রতিদিন গড়ে এক হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুতের চাহিদা রয়েছে। উৎপাদনে ঘাটতি থাকায় এখন প্রতিদিন গড়ে ১০০ থেকে ১২০ মেগাওয়াট লোড শেডিং করতে হয় বলে পিডিবি কর্মকর্তারা জানান।