আমার কন্ঠ সবাই চেনে’ ডাঃ শাহাদত

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলার ঘটনায় ফেনীর কয়েকটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা জড়িত বলে দাবি করেছেন চট্টগ্রাম নগর বিএনপির সভাপতি ডা. শাহাদত হোসেন।

আজ সোমবার দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে নগর বিএনপির সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেন এ কথা বলেন। তিনি বলেন, অসুস্থ রাজনীতি ও সরকারের ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে আওয়ামী লীগ নেতা শাহাদাত হোসেন শাকুর কণ্ঠকে বিকৃত করে বিএনপির ঘাড়ে দোষ চাপানো হচ্ছে। অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।

বিএনপি নেতা ডা. শাহাদাত বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে যে ষড়যন্ত্রমূলক নিউজ দৈনিক খবর ২৪ ডট কম নামে একটি ভুয়া-ভুইফোঁড় একটি অনলাইন নিউজ ছেপেছে, তার তীব্র প্রতিবাদ  জানাচ্ছি। যার কণ্ঠের সঙ্গে এ কণ্ঠ মিলে যায় তাকে অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় এনে এ ঘটনা সারা বাংলাদেশসহ বিশ্ববাসীকে জানানোর দাবি জানাচ্ছি।’ মিথ্যা সংবাদ পরিবেশনের অভিযোগে অখ্যাত এ অনলাইন পত্রিকার বিরুদ্ধে তথ্যপ্রযুক্তি আইনে মামলা করার কথাও জানান এই বিএনপি নেতা।

শাহাদাত বলেন, ‘আমি ১৮ বছর ধরে চিকিৎসাসেবায় নিয়োজিত। আমার সামাজিক স্ট্যাটাস রয়েছে। বাংলাদেশে আমাকে সবাই চেনে। শুধু চট্টগ্রাম নয়, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে সবাই আমার কণ্ঠের সঙ্গে পরিচিত। আমি নিয়মিত বক্তব্য দিচ্ছি, টক শোতে যাই। লোকজন আমার কণ্ঠ শুনবে না এরকম বাংলাদেশের মানুষ থাকতে পারবে না।’

বিএনপি নেতার দাবি, ছাত্রলীগ-যুবলীগের কর্মীরা ফেনীতে চেয়ারপারসনের গাড়িবহরে হামলা করেছে, যা স্থানীয় লোকজন আমাদের জানিয়েছেন। তিনি জানান, হামলাকারীদের মধ্যে রয়েছেন সোনাগাজী জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আবদুল মোতালেব রবিন, ফেনী কলেজ ছাত্রলীগের সদস্য সবুজ, সরসদী মাদরাসা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পদক ফরহাদ, ধর্মপুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ও যুবলীগ নেতা বেলাল, সরসদী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জানে আলম ভুইয়া ও তাঁর গানম্যান সুমন, ইউনিয়ন যুবলীগকর্মী মানিক। হামলার মূল দায়িত্বে ছিলেন আওয়ামী লীগ নেতা ও ধর্মপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাহাদাত হোসেন শাকু।

সংবাদ সম্মেলনে চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট দেলোয়ার হোসেনসহ নগর বিএনপির নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

গত শনিবার ঢাকা থেকে কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনের জন্য যান খালেদা জিয়া। পথে ফেনী ও চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে তাঁর গাড়িবহরে হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা। এতে বেশ কয়েকজন সাংবাদিক আহত হন। বেশ কয়েকটি সংবাদমাধ্যমে গাড়িও ভাঙচুর করা হয়।