দুদকের মামলায় পাঁচ কাস্টম কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আদালতে চার্জ গঠন

ক্ষমতার অপব্যবহার, ঘুষ দাবিসহ দুর্নীতির নানা অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলায় পাঁচ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগ গঠন হয়েছে। আজ চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ মীর মো. রহুল আমিন আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছেন।

আদালত আগামী বছরের ৯ জানুয়ারি থেকে সাক্ষ্যগ্রহণের সময়ও নির্ধারণ করেছেন।

বিচার শুরু হওয়া কর্মকর্তারা হলেন- সাবেক কাস্টমস কর্মকর্তা শাহাবুদ্দিন নাগরী, চট্টগ্রাম কাস্টমসের সাবেক সহকারি কমিশনার সাজেদুল হক, সাবেক প্রিভেন্টিভ অফিসার বাহারুল ইসলাম, নিলাম শাখার সাবেক সুপারিটেন্ডেন্ট একেএম ফজলুল হক এবং সাবেক চিফ অ্যাপ্রাইজার আবুল হাশেম। একই মামলায় আদালত আরও ৮ আসামিকে অভিযোগ গঠনের সময় অব্যাহতি দিয়েছেন।

দুর্নীতি দমন কমিশনের কৌঁসুলি মাহমুদুল হক বলেন, ‘২০০৯ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রাম বন্দরে নিলামে উঠা একটি গাড়ি ৫ লাখ ৫২ হাজার টাকায় কিনেন হাসান আলী নামে এক ব্যবসায়ী। প্রভোক্স মডেলের প্রাইভেট কারটি হস্তান্তরের জন্য চট্টগ্রাম কাস্টমসের তৎকালীন কমিশনার শাহাবুদ্দিন নাগরী এক লাখ টাকা ঘুষ দাবি করেন। হাসান আলী ঘুষ না দেওয়ায় ২৭ জুন শাহাবুদ্দিন নাগরীসহ আসামিরা পরস্পরের যোগসাজশে ৩ লাখ ৮৭ হাজার ৬০ টাকার বিনিময়ে আমদানিকারককে গাড়িটি দিয়ে দেন। ২০০৯ সালের ২ জুলাই সাতজনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করেন হাসান আলী। আদালত মামলা আমলে নিয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) তদন্তের আদেশ দেন। চার দফা তদন্তের পর ২০১৩ সালের ১৭ জুন দুদকের প্রধান কার্যালয়ের সাবেক উপ-পরিচালক একেএম মিজবাহ উদ্দিন আদালতে ১৩ জনের বিরুদ্ধে দন্ডবিধির ১৬১, ১০৯ এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫ (২) ধারায় অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

আজ অভিযোগ গঠনের শুনানি শেষে আদালত ১৩ আসামির মধ্যে ৮ জনকে অব্যাহতি দেন।