এসএ রিফাইনারির এমডির দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

 

 

 

ন্যাশনাল ব্যাংকের ২০০ কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় বাদীর আবেদনে এসএ অয়েল রিফাইনারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) শাহাব উদ্দিন আলমের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে আদালত।সোমবার চট্টগ্রামের মহানগর হাকিম আবু ছালেম মো. নোমান এ আদেশ দেন। গত বছরের ১৯ মার্চ আদালতে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ দায়ের করেন ন্যাশনাল ব্যাংকের আগ্রাবাদ শাখার ব্যবস্থাপক ও এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট নিজাম উদ্দিন আহমেদ।আদালতের নির্দেশে গত বছরের ২৭ মার্চ অভিযোগটি ডবলমুরিং থানায় এজাহার হিসেবে গ্রহণ করা হয়। মামলায় শাহাব উদ্দিন ছাড়াও এসএ রিফাইনারির সিনিয়র ডিজিএম (ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং) দিদারুল আলমও আসামি।বাদীর আইনজীবী কাজী সানোয়ার আহমেদ লাভলু বলেন, মামলার পর প্রায় এক বছর নয় মাস পেরিয়ে গেছে। এখনো তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে জমা হয়নি।আসামি শাহাব উদ্দিন আলম যেকোনো সময় দেশ ছেড়ে যেতে পারেন এমন আশঙ্কার কথা জানিয়ে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষকে এ বিষয়ে নির্দেশনা দিতে আদালতের কাছে আবেদন করেন বাদী। আসামি শাহাব উদ্দিন আলম যাতে দেশত্যাগ করতে না পারেন সে বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে তিন বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।ন্যাশনাল ব্যাংকের প্রায় ২০০ কোটি টাকার ঋণপত্রের (এলসি) বিপরীতে তেল আমদানি করে এসএ অয়েল রিফাইনারি।ব্যাংকের নথিপত্র ছাড় না করেই জালিয়াতির মাধ্যমে নথিপত্র তৈরি করে কাস্টমস থেকে ছাড়পত্র নিয়ে আমদানি করা তেল নিয়ে যায় তারা।তেল বিক্রি করে সেই টাকা আসামিরা আত্মসাৎ করে। এর মাধ্যমে প্রায় ২০০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করে তারা। দণ্ডবিধির ৪৬৭, ৪৬৮, ৪৭১, ৪০৬ এবং ৩৪ ধারায় মামলাটি করা হয়েছিল।

ন্যাশনাল ব্যাংকের ২০০ কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় বাদীর আবেদনে এসএ অয়েল রিফাইনারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) শাহাব উদ্দিন আলমের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে আদালত।

সোমবার চট্টগ্রামের মহানগর হাকিম আবু ছালেম মো. নোমান এ আদেশ দেন। গত বছরের ১৯ মার্চ আদালতে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ দায়ের করেন ন্যাশনাল ব্যাংকের আগ্রাবাদ শাখার ব্যবস্থাপক ও এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট নিজাম উদ্দিন আহমেদ।আদালতের নির্দেশে গত বছরের ২৭ মার্চ অভিযোগটি ডবলমুরিং থানায় এজাহার হিসেবে গ্রহণ করা হয়। মামলায় শাহাব উদ্দিন ছাড়াও এসএ রিফাইনারির সিনিয়র ডিজিএম (ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং) দিদারুল আলমও আসামি।

বাদীর আইনজীবী কাজী সানোয়ার আহমেদ লাভলু বলেন, মামলার পর প্রায় এক বছর নয় মাস পেরিয়ে গেছে। এখনো তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে জমা হয়নি।আসামি শাহাব উদ্দিন আলম যেকোনো সময় দেশ ছেড়ে যেতে পারেন এমন আশঙ্কার কথা জানিয়ে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষকে এ বিষয়ে নির্দেশনা দিতে আদালতের কাছে আবেদন করেন বাদী। আসামি শাহাব উদ্দিন আলম যাতে দেশত্যাগ করতে না পারেন সে বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে তিন বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

ন্যাশনাল ব্যাংকের প্রায় ২০০ কোটি টাকার ঋণপত্রের (এলসি) বিপরীতে তেল আমদানি করে এসএ অয়েল রিফাইনারি।ব্যাংকের নথিপত্র ছাড় না করেই জালিয়াতির মাধ্যমে নথিপত্র তৈরি করে কাস্টমস থেকে ছাড়পত্র নিয়ে আমদানি করা তেল নিয়ে যায় তারা।তেল বিক্রি করে সেই টাকা আসামিরা আত্মসাৎ করে। এর মাধ্যমে প্রায় ২০০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করে তারা।

ন্যাশনাল ব্যাংকের ২০০ কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় বাদীর আবেদনে এসএ অয়েল রিফাইনারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) শাহাব উদ্দিন আলমের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে আদালত।

সোমবার চট্টগ্রামের মহানগর হাকিম আবু ছালেম মো. নোমান এ আদেশ দেন। গত বছরের ১৯ মার্চ আদালতে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ দায়ের করেন ন্যাশনাল ব্যাংকের আগ্রাবাদ শাখার ব্যবস্থাপক ও এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট নিজাম উদ্দিন আহমেদ।আদালতের নির্দেশে গত বছরের ২৭ মার্চ অভিযোগটি ডবলমুরিং থানায় এজাহার হিসেবে গ্রহণ করা হয়। মামলায় শাহাব উদ্দিন ছাড়াও এসএ রিফাইনারির সিনিয়র ডিজিএম (ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং) দিদারুল আলমও আসামি।

বাদীর আইনজীবী কাজী সানোয়ার আহমেদ লাভলু বলেন, মামলার পর প্রায় এক বছর নয় মাস পেরিয়ে গেছে। এখনো তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে জমা হয়নি।আসামি শাহাব উদ্দিন আলম যেকোনো সময় দেশ ছেড়ে যেতে পারেন এমন আশঙ্কার কথা জানিয়ে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষকে এ বিষয়ে নির্দেশনা দিতে আদালতের কাছে আবেদন করেন বাদী। আসামি শাহাব উদ্দিন আলম যাতে দেশত্যাগ করতে না পারেন সে বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে তিন বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

ন্যাশনাল ব্যাংকের প্রায় ২০০ কোটি টাকার ঋণপত্রের (এলসি) বিপরীতে তেল আমদানি করে এসএ অয়েল রিফাইনারি।ব্যাংকের নথিপত্র ছাড় না করেই জালিয়াতির মাধ্যমে নথিপত্র তৈরি করে কাস্টমস থেকে ছাড়পত্র নিয়ে আমদানি করা তেল নিয়ে যায় তারা।তেল বিক্রি করে সেই টাকা আসামিরা আত্মসাৎ করে। এর মাধ্যমে প্রায় ২০০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করে তারা। দণ্ডবিধির ৪৬৭, ৪৬৮, ৪৭১, ৪০৬ এবং ৩৪ ধারায় মামলাটি করা হয়েছিল।

দণ্ডবিধির ৪৬৭, ৪৬৮, ৪৭১, ৪০৬ এবং ৩৪ ধারায় মামলাটি করা হয়েছিল।