ছাত্রলীগ নেতার মুক্তির দাবীতে সড়কে আগুন গাড়ী ভাংচুর ১০ জন আহত

সাতকানিয়ার কেওচিয়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি সাইফুল আলম সোহেলের মুক্তির দাবীতে গাড়ি ভাংচৃুর ও সড়কে টায়ারে আগুন দিয়েছে তার অনুসারীরা।

শুক্রবার রাত পৌনে আটটার দিকে সাতকানিয়ার ব্যবসায়ীক প্রানকেন্দ্র কেরানীহাটে হঠাৎ করে ১০/১২ জন যুবক জয় বাংলার শ্লোগান দিয়ে অতর্কিত গাড়ি ভাংচুরের ঘটনায় পথচারীদের মধ্যে আতংক সৃষ্টি হয়। বন্ধ হয়ে যায় সড়কে যান চলাচলও। এ সময় মহিলাসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়। আহতরা হলেন, সাইফুল ইসলাম (৩০) হাবিবুর রহমান (৪২), লিয়াকত আলী (৩৫) নুরুল কবির (৫০) সখিনা বেগম (৩৯) ও সুমি আক্তার (২৬)। এসময় অন্তত ৮টি গাড়ি ভাংচুর করা হয়েছে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন।

এর আগে গত বুধবার সন্ধ্যায় কেরানীহাটের পূর্ব পাশ থেকে ৭শ পিচ ইয়াবাসহ সোহেল ও নবাব আলীকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে।

ঘটনার খবর পেয়ে থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে এবং সড়কে টায়ারে দেওয়া আগুন নিভিয়ে দিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করে। মিছিল ও ভাংচুর ঘটনার স্থায়ীত্ব ছিল মাত্র ১০ মিনিট। ১০ মিনিটের তান্ডবে দেশ ট্রাবেলস্ এর এসি বাস (ঢাকামেট্রো-ব ১১-৭২৯২), হানিফ পরিবহনের ( ঢাকামেট্রো-ব ১৪-২৬২০ )সহ অন্তত ৮টি গাড়ি ভাংচুর করা হয়।

ভাংচুরের শিকার সিএনজি অটো রিক্সার চালক মোহাম্মদ ফারুক বলেন, আমার গাড়িটি রাস্তার পাশে পার্কিং করা ছিল। এর মধ্যো হঠাৎ এক দল যুবক এসে আমার গাড়িটি ভাংচুর করে।

সড়কে আগুন দিয়ে বান্দরবান সড়ক হয়ে পূর্ব দিকে চলে যায়। এ ঘটনার মাত্র ১০ মিনিটির মাথায় কেরানীহাটের উত্তর পাশে শাহ আমানত হসপিটালের সামনেও একই কায়দায় গাড়ি ভাংচুর করে যুবকের দলটি।

ঘটনাস্থলে উপস্থিত সার্জেন্ট সবুজ এ ব্যাপারে বলেন, আমি কেরানীহাট মোড়ের ৫০ গজ দক্ষিনে দায়িত্ব পালন করছিলাম। এমন সময় একদল যুবক এসে অতর্কিত গাড়ি ভাংচুর ও টায়ারে আগুন দিয়ে পালিয়ে যায়।

যোগাযোগ করা হলে সাতকানিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মো. রফিকুল হোসেন বলেন, এক দল উশৃঙ্খল লোক কেরানীহাটে কয়েকটি গাড়ি ভাংচুর ও সড়কে আগুন দিয়ে পালিয়ে গেছে। আমরা তাদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা করছি।