নেত্রকোনায় চিরনিদ্রায় শায়িত বারী সিদ্দিকী(সুয়াচান পাখী)

নেত্রকোনায় নিজ বাড়িতে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন শিল্পী বারী সিদ্দিকী। সবাইকে কাঁদিয়ে একসময়ের বাঁশিবাদক প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী বারী সিদ্দিকী চলে গেলেন না ফেরার দেশে। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করায় লোকজ ধারার সংগীতজগতের এক নক্ষত্রকে হারাল সংস্কৃতিজগৎএ সময় অাফজাল হোসেন বলেন, যার বাশীর সুর অামাদের হৃদয় ছুঁয়েছে, যার গান অামাদের অন্য ভুবনে নিয়ে গিয়েছে, সেই শিল্পীর অনুপস্থিতি অামরা দীর্ঘকাল অনুভব করবো।আধ্যাত্মিক ও লোকগানের এই প্রথিতযশা শিল্পী চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার দিনগত রাত সোয়া দুটার পর রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্নালিল্লাহে…রাজিউন)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৬৩ বছর। তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে ও এক মেয়ে আর অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।কণ্ঠশিল্পী, গীতিকার, বাঁশিবাদক বারী সিদ্দিকী হৃদরোগ ছাড়াও কিডনি জটিলতায় ভুগছিলেন। গত ১৭ নভেম্বর রাতে হৃদরোগে আক্রান্ত হলে বারী সিদ্দিকীকে ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। কার্ডিওলজি বিভাগের চিকিৎসক আবদুল ওয়াহাবের তত্ত্বাবধায়নে সাত দিন আইসিইইউতে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হলেও তার অবস্থার অবনতি ঠেকানো যায়নি।

  1.  দীর্ঘদিন সঙ্গীতের সঙ্গে থাকলেও শিল্পী হিসেবে বারী সিদ্দিকী পরিচিতি পান ১৯৯৯ সালে। ঐ বছর লেখক-নির্মাতা হ‌ুমায়ূন আহমেদের ‘শ্রাবণ মেঘের দিন’ ছবিটি মুক্তি পায়। এই ছবিতে তিনি ছয়টি গান গেয়ে নতুন করে আলোচনায় আসেন। তিনি বাংলাদেশ টেলিভিশনে সংগীত পরিচালক ও মুখ্য বাদ্যযন্ত্রশিল্পী হিসেবে কর্মরত ছিলেন।