মৌসুমীর অভিযোগের জবাবে যা বললেন মিশা

আগামী ২৫ অক্টোবর বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির দ্বি-বার্ষিক নির্বাচক। তাই নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণা নিয়ে এখন গরম এফডিসি। এবারের নির্বাচনে সভাপতি পদে মিশা সওদাগরের বিপরীতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী চিত্রনায়িকা মৌসুমী। চলচ্চিত্রাঙ্গনে যারা খোঁজ-খবর রাখেন তাদের অনেকেরই জানা- মৌসুমীর সঙ্গে মিশা সওদাগরের দীর্ঘ দিনের বন্ধুত্ব। তবে নির্বাচনের শুরু থেকে মৌসুমী একাধিকবার অভিযোগ করেছেন, তার নির্বাচনের ক্ষেত্রে নাকি বাধা দেয়া হচ্ছে, একটি অদৃশ্য চাপ প্রয়োগও করা হচ্ছে। মৌসুমীর এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে মিশা সওদাগর বলেন, আমি স্বতঃস্ফূর্তভাবে বলতে চাই- একজন শিল্পীর হতে হবে সৎ এবং সাহসী। শিল্পীদের বড় শক্তি লাখো লাখো ভক্ত। মৌসুমীর মতো শিল্পীকে কেউ আঙুল তুলে কথা বলবে এমন সাহস কারও নেই। যে শিল্পী তার সমস্যার কথা বলতে পারে না, কে বা কারা তাকে বাধা প্রদান করছে? কে তাকে প্যানেল করতে দেয়নি? নিজের সমস্যার কথা তাকেই মুখ ফুটে বলতে হবে। কে এই অদৃশ্য শক্তি? নাম না বলে বিচ্ছিন্নভাবে কথা বললে এ অভিযোগের কোনও ভিত্তি থাকে না। তার অভিযোগ ভিত্তিহীনই রয়ে যাবে।

এছাড়া মিশা আরও বলেন, শিল্পীদের কাছে কেউ সুপারস্টার নয়, সুপারস্টার দর্শকদের কাছে। সমিতিতে যখন বসবো সবাই সমান। তবে সিনিয়রদের সম্মান সবার আগে করতে হবে। যে যতো বড়ই সুপারস্টার হোক না কেন একজন সিনিয়র শিল্পীকে তার প্রাপ্ত সম্মান দিতেই হবে। আমি যতোই সভাপতি হইনা কেন ফারুক, আলমগীর, সোহেল রানা, ববিতা, সুচন্দাদের কাছে সবসময়ই জুনিয়র। এছাড়া পুনরায় নির্বাচিত হলে দুস্থ শিল্পীদের জন্য অল্প জায়গার মধ্যে হলেও আবাসনের ব্যবস্থা করা হবে। সিঙ্গেল যে হলগুলো রয়েছে সেগুলো কীভাবে উন্নত করা যায় সে ব্যাপারে হল মালিকদের সহায়তা করা হবে। কারণ হল বাঁচলেই সিনেমা বাঁচবে, সিনেমা বাঁচলেই শিল্পীরা বাঁচবে। একটি ফান্ড করা হবে যেকোনো ব্যাংকে। কোনও শিল্পী যদি বিপদে পড়ে তাহলে ওই ফাণ্ডের ইন্টারেস্ট থেকে সহযোগিতা করা হবে বলে জানান মিশা।