দুলাভাইয়ের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কে জড়ান স্ত্রী, মারধর স্বামীকে

নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লা থানার ইসদাইরে সুমন নামে এক প্রতিবন্ধি যুবকের স্ত্রীকে দুই শিশু সন্তানসহ ৫ মাস যাবত তার দুলা ভাই নিজ বাসায় নিয়ে আটকে রেখে অসামাজিক কার্যকলাপ করছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

এ নিয়ে স্ত্রী সন্তান চেয়ে এলাকায় দেন দরবার করে উকিল নোটিশ দিয়েও কোন প্রতিকার পায়নি ওই প্রতিবন্ধি যুবক।

অবশেষে ভায়ররার বাড়িতে গিয়ে স্বচোখে দেখেন তার স্ত্রী ভায়রার সঙ্গে অন্তরঙ্গ অবস্থায় বিছানায়। এতে প্রতিবাদ করায় তাকে মারধর করে হত্যার হুমকি দিয়ে তাড়িয়ে দেয়।

এতে উপায়ান্তর না পেয়ে সোমবার নারায়ণগঞ্জ জুডিশিয়াল আদালতে মামলা করেছেন। আদালত তার মামলা আমলে নিয়ে স্ত্রী, ভায়রা দেলোয়ার হোসেন দেলুসহ ৪ জনকে আদালতে হাজির হতে সমন দিয়েছে।

বাদী পক্ষের আইনজীবী শাহা মাজহারুল হক মাজহার মামলার বরাত দিয়ে বলেন, ফতুল্লার পশ্চিম লামাপাড়া এলাকার লিটন মিয়ার বাড়ির ভাড়াটিয়া ডাইং কারখানার কর্মচারী প্রতিবন্ধি সুমন তার স্ত্রী ও দুই পুত্র সন্তানকে নিয়ে বসবাস করছেন।

এরমধ্যে জোসনাকে তার বড় বোন জামাতা ইসদাইর বুড়ির দোকান এলাকার পেশকারের বাড়ির ২য় তলার ফ্লাটের ভাড়াটিয়া দেলোয়ার হোসেন দেলু টাকা পয়সার প্রলোভন দেখি নিজ বাসায় নিয়ে প্রায় সময় রাখেন। দীর্ঘদিন ধরে এবাবে ওই নারী ও দেলুর সঙ্গে অসামাজিক কার্যকলাপ চলে আসছে। এবিষয়ে প্রতিবাদ করলে প্রতিবন্ধি সুমনকে প্রায় সময় মারধর করে রক্তাক্ত করা হতো।

গত বছরের ১২ সেপ্টেম্বর সুমনকে মারধর করে মাথা ফাটিয়ে দেয় দেলু ও তার পরিবারের লোকজন। এরপর প্রায় সময় সুমনকে ভয়ভীতি দেখিয়ে ওই নারীকে তার বাসায় নিয়ে যেত দেলু।

এরমধ্যে চলতি বছরের ২১ জুন সকালে সুমন কাজে যাওয়ার পর তার স্ত্রীকে দেলু তার বাসায় নিয়ে যায়। তখন স্ত্রী যাওয়ার সময় ঘর থেকে নগদ ৩০ হাজার টাকা আধা ভরি ওজনের স্বর্নের কানের দুল ও মুল্যবান কাপড় নিয়ে যায়। কাজ থেকে বাসায় ফিরে স্ত্রীকে না পেয়ে তার বাবার বাড়ি যায় সুমন। সেখানে গিয়ে স্ত্রীর খোঁজ নিলে সমন্ধি আজিম কোন কথা না বলেই চর থাপ্পর দিয়ে তাড়িয়ে দেয়।

এরপর ভায়রা দেলুর বাসায় গিয়ে তার শিশু সন্তানদের দেখতে পেয়ে তাদের মায়ে কথা জিজ্ঞেস করেন। তখন শিশু সন্তানরা দেখিয়ে দেয় তার মা ওই রুমে আছে। সে রুমে গিয়ে দরজা খুলে দেখেন স্ত্রী তার ভায়রার সঙ্গে বিছানায় অন্তরঙ্গ মুহূর্তে। এতে সুমন ক্ষিপ্ত হয়ে প্রতিবাদ করলে তার ভায়রা দেলু কাছে এসে চর থাপ্পর দিয়ে হত্যার হুমকি দিয়ে বলেন এনিয়ে বেশি বারাবারি করলে নারী নির্যাতন মামলা দিয়ে সুমনকে হাজতে রাখার হুমকিও দেয়। এরপর সুমনকে গলা ধাক্কা দিয়ে বাসা থেকে বের করে দেয়।