র‌্যাংকিংয়ে পাকিস্তানের সাথে ব্যবধান কমালো বাংলাদেশ

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ৩-০ ব্যবধানে সিরিজ জয় করেও খুব বেশি পয়েন্ট পায়নি বাংলাদেশ দল। র‍্যাঙ্কিংয়ে প্রতিপক্ষ দলের অবস্থান বিবেচনায় খুব বেশি পয়েন্ট পাওয়ার কথাও ছিল না বাংলাদেশের। টাইগারদের ওপরে থাকা পাকিস্তানকে তাই টপকানো সম্ভব না হলেও কমেছে পয়েন্টের ব্যবধান।

সিরিজ শুরু আগেও আইসিসি ওয়ানডে দলের র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল সপ্তম স্থানে, এখনো সপ্তম স্থানেই আছে বাংলাদেশ। অবস্থানের পরিবর্তন হয়নি ওয়েস্ট ইন্ডিজেরও। তারাও যথারীতি নবম স্থানেই অবস্থান করছে। সিরিজ শুরুর আগে বাংলাদেশের রেটিং পয়েন্ট ছিল ৮৮। ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হোয়াইটওয়াশ করে টাইগাররা পেয়েছেন কেবল ৩টি পয়েন্ট। ফলে এখন বাংলাদেশের পয়েন্ট হয়েছে ৯১।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশ পায় ৬ উইকেটের জয়। দ্বিতীয় ম্যাচে ৭ উইকেট ও তৃতীয় ম্যাচে ১২০ রানের জয়ে সিরিজ জয় করে টাইগাররা। প্রথম ম্যাচে সাকিব আল হাসান, দ্বিতীয় ম্যাচে মেহেদী হাসান মিরাজ ও তৃতীয় ম্যাচে সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হন মুশফিকুর রহিম। সিরিজ সেরা হয়েছেন সাকিব।

বাংলাদেশের ঠিক ওপরে অর্থাৎ ষষ্ঠ স্থানে আছে পাকিস্তান। পাকিস্তানের রেটিং পয়েন্ট ১০০। অর্থাৎ বাংলাদেশের থেকে এখনো ৯ পয়েন্টে এগিয়ে আছে তারা। পাকিস্তানকে অবশ্য সহসায় টপকানো হচ্ছে না বাংলাদেশের। কারণ এখনো ৯টি পয়েন্ট পেতে হলে যে টাইগারদের বেশ অনেক পরিশ্রম করতে হবে। আসন্ন নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ ৩-০ ব্যবধানে জিতলেও পাকিস্তানকে টপকানো হবে না। অর্থাৎ আগামী কয়েকটা সিরিজ জয়ের পাশাপাশি তাকিয়ে থাকতে হবে পাকিস্তানের হারের দিকেও।

আইসিসি ওয়ানডে দলের র‍্যাঙ্কিংয়ে যথারীতি শীর্ষে অবস্থান করছে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ড। তাদের রেটিং পয়েন্ট ১২৩। ১১৭ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে তারপরের অবস্থানেই আছে ভারত। ১১৬ পয়েন্ট নিয়ে গত দুই বিশ্বকাপের রানার্সআপ নিউজিল্যান্ড তৃতীয়। অস্ট্রেলিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকা যথাক্রমে ১১১ ও ১০৮ পয়েন্ট নিয়ে আছে চতুর্থ ও পঞ্চম স্থানে। ৮৫ পয়েন্ট নিয়ে শ্রীলঙ্কা আছে অষ্টমে। দশম, একাদশ ও দ্বাদশে আছে যথাক্রমে আফগানিস্তান, আয়ারল্যান্ড ও নেদারল্যান্ডস। জিম্বাবুয়ে আছে ১৪তম স্থানে।