ডোমিঙ্গো চান ৪ পেসার নিয়ে খেলতে, একাদশ হবে আগের মতোই!

টাইগারদের হেড কোচ রাসেল ডোমিঙ্গো মুখ ফুটে অবশ্য বলেননি। তবে তাকে নিয়ে একটি কথা শোনা যাচ্ছে। তা হলো, তিনি নাকি ঘরের মাঠে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে ৪ পেসার নিয়ে মাঠে নামতে চান!

তার মানে মূল একাদশে সাকিব আল হাসানই থাকবেন একমাত্র স্পিনার। এছাড়া মোস্তাফিজুর রহমান, আবু জায়েদ রাহি, তাসকিন আহমেদ, এবাদত হোসেন এবং হাসান মাহমুদের মধ্য থেকে যেকোন চারজনকে ম্যাচে খেলানোর পক্ষে রাসেল ডোমিঙ্গো।

বাংলাদেশ দলের যে গঠনশৈলি, তাতে করে চার পেসার খেলানোর অর্থ বাঁহাতি স্পিনার তাইজুল ইসলামকে একাদশের বাইরে রাখা। শুধু তাইজুল নয়, চার পেসার নেয়ার মানে সাকিবের সঙ্গে তাইজুল, নাঈম হাসান ও মেহেদি হাসান মিরাজদের একাদশে থাকার সম্ভাবনা শেষ হয়ে যাওয়া।

কারণ চার পেসার ও সাকিবের সঙ্গে আরেকজন বাড়তি স্পিনার নেয়া হলে বাংলাদেশের ব্যাটিং দুর্বল হয়ে যাবে। দেশের মাটিতে সাধারণত বাংলাদেশ যেভাবে দল সাজায়, তা সাজাতে পারবেনা। সাকিবের সঙ্গে অধিনায়ক মুমিনুল হক, ওপেনার তামিম ইকবাল, সাইফ হাসান-সাদমান ইসলামের যেকোন একজন, মুশফিকুর রহীম, মোহাম্মদ মিঠুন আর লিটন দাস প্রায় অটোমেটিক চয়েজ।

তাই কোচের চার পেসার খেলানোর চিন্তা অলিক না হলেও বাস্তবসম্মত নয় একদমই। কাজেই ধরেই নেয়া যায়, কোচ রাসেল ডোমিঙ্গো যেমনই চান না কেন, টাইগারদের একাদশ হবে আগের মতোই।

প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদিনের কাছে প্রশ্ন রাখা হয়েছিল, একাদশের গঠনশৈলি কেমন হবে? বাড়তি পেসার (চারজন) নাকি একজন স্পিনার বেশি নিয়ে মাঠে নামবে মুমিনুলের দল? নান্নু এ প্রশ্নের জবাবে সরাসরি হ্যাঁ, না কিছু বলেননি। তবে আকার ইঙ্গিতে যা বলেছেন, তার সারমর্ম হলো বাংলাদেশ সাধারণত, ঘরের মাঠে যে ফর্মেশনে খেলে তাই খেলবে।

প্রধান নির্বাচকের ব্যাখ্যা, ‘আমরা ঘরের মাঠে সবসময় যেভাবে খেলি, সেভাবেই খেলব। এটা এখনই বলা মুশকিল একাদশ কেমন হবে। ম্যাচের আগে টিম ম্যানেজমেন্ট একাদশ চূড়ান্ত করবে। কয়টা স্পিনার, কয়টা সিমার নিয়ে খেলবে এটা তখনই সিদ্ধান্ত হবে। আগাম বলা মুশকিল যে কখন কাকে খেলানো হবে।’

কোচের চাহিদা বাড়তি পেসার, কিন্তু উইকেট হয় সাধারণত স্পিনিং। সমন্বয় করাটা চ্যালেঞ্জ ছিল? এতে করে তাইজুলের একাদশে অন্তর্ভুক্তি কঠিন হবে? নান্নু বলেন, ‘এই মুহূর্তে টিম নিয়ে, কে খেলবে না খেলবে এটা কিচ্ছু বলা যাবে না। কারণ শেষদিনের অনুশীলনের পর ১১ জন বাছাই করা হবে। আগাম বলা মুশকিল, কে খেলবে না খেলবে। যে ১৮ জনকে নেওয়া হয়েছে তাদের সবারই সামর্থ্য আছে। সুতরাং সবাইকে তৈরি করা হচ্ছে, যখন যাকে টিম ম্যানেজমেন্ট প্রয়োজন মনে করবে তখন তাকে খেলাবে।’