অটোপাসের মধ্যেও ফেল, হাইকোর্টে গেল শিক্ষার্থী

মহামারি করোনা ভাইরাসের কারনে অটোপাস পেয়েছে ২০২০ সালের এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা। কিন্তু এই অটোপাসের মধ্যে ফেল করেছেন এক শিক্ষার্থী। অটোপাসের বছরে কেন তাকে ফেল করানো হলো তা জানতে চেয়ে হাইকোর্টে রিট করেছেন ওই শিক্ষার্থী।

বুধবার (০৩ ফেব্রুয়ারি) ওই শিক্ষার্থীর করা রিটের শুনানির দিন নির্ধারণ করতে সংশ্লিষ্ট আদালতে উপস্থাপন করেন আইনজীবী মোহাম্মদ ফারুক হোসেন।

রিটে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক, শহীদ পুলিশ স্মৃতি কলেজের অধ্যক্ষসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়েছে।

আইনজীবী ফারুক জানান, কলেজ কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থীর ফরম পূরণের বিষয়ে ২০২০ সালের ২০ অক্টোবরে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান ও পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক বরাবর আবেদন করেন। ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় ডিসেম্বরে হাইকোর্টে রিট করেন ওই শিক্ষার্থী। শুনানি শেষে হাইকোর্ট শিক্ষাবোর্ড কর্তৃপক্ষকে শিক্ষার্থীর আবেদনের বিষয়টি নিষ্পত্তির নির্দেশ দেন। আদালতের আদেশের পরেও শিক্ষাবোর্ড তা অমান্য করায় ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর শিক্ষাজীবনে অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে।

আইনজীবী মোহাম্মদ ফারুক সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘রিটকারী শিক্ষার্থী যাবতীয় নিয়ম-কানুন যথাযথভাবে অনুসরণ করে ২০২০ সালের এইচএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণ করে। পরীক্ষার প্রস্তুতিও নিয়েছিল সে। কিন্তু করোনার কারণে সরকার এ বছর এইচএসসি পরীক্ষায় অটোপাস ঘোষণা করে। এই অটোপাসের মধ্যেও ওই শিক্ষার্থীর ফলাফল আসেনি। এতে শিক্ষাবোর্ডের গাফিলতি ও অবহেলা রয়েছে। শতভাগ পাসের সময়ও একজন শিক্ষার্থীর ফলাফল না আসায় সে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা আশা করছি রিটের শুনানির জন্য দিন নির্ধারণ করা হবে। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীকে এইচএসসি পরীক্ষায় পাস করিয়ে দেয়ার জন্য আদালত থেকে আদেশ পাব।’