নির্বাচন কমিশনারসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের

সদ্য হওয়া চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচন বাতিল চেয়ে বিএনপির মেয়র প্রার্থী ডা.শাহাদাত হোসেন নির্বাচন কমিশনারসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন মামলা নাম্বার হচ্ছে ২/২০২১। আজ বুধবার সকাল ১২টার সময় চট্টগ্রাম যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ খাইরুল আমীনের আদালতে মামলটি দায়ের করেন ডা. শাহাদাত হোসেন। মামলায় যাদেরকে বিবাদি করা হয়েছে তারা হলেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের নব নির্বাচিত মেয়র এম রেজাউল করিম চৌধুরী, আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. হাসানুজ্জামান, নির্বাচন কমিশনার সচিব, প্রধান নির্বাচন কমিশনার, আবুল মনজুর, এম এ মতিন, খোকন চৌধুরী, মুহাম্মাদ ওয়াহেদ মুরাদ, মো. জান্নাতুল ইসলামকে। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভোট কারচুপি ও ফল বাতিল চেয়ে মেয়র প্রার্থী ডা. শাহাদাত হোসেন নির্বাচন কমিশনারসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে এ মামলা দায়ের করেছেন।

নির্বাচনে নানা অনিয়ম তুলে ধরে ডা. শাহাদাত হোসেন ও তার আইনজীবীরা জানান,গত ২৭ ডিসেম্বর সিটি নির্বাচনে যে ২২ শতাংশ ভোট গ্রহণ হয়েছে বলে নির্বাচন কমিশন ঘোষণা করেছে তা সঠিক নয়। বাস্তবে সাড়ে সাত শতাংশ ভোট পড়েছে নির্বাচনে যার ৪ থেকে ৫ শতাংশ ছিলো বিএনপি প্রার্থীর ভোট।

এছাড়া বিভিন্ন কেন্দ্রে থানার ওসি ও পুলিশ সদস্যরা বিএনপি মেয়র প্রার্থী ও বিএনপি সমর্থিত এজেন্ট প্রবেশে বাধা,কেন্দ্র থেকে বের করে দেয়া, বুথের ভেতর গোপন কক্ষে ইভিএম মেশিনের বোতাম টিপে নৌকার ভোট নিশ্চিত করা সহ নানা অভিযোগ তুলে ধরে ডা. শাহাদাত উপস্থিত সাংবাদিকদের বলেন, চসিক নির্বাচনে ভোটের দিন দুপুর ২টা পর্যন্ত ৪-৬ শতাংশ ভোট পড়েছে। কিন্তু দিন শেষে সাড়ে ২২ শতাংশ ভোট দেখানো হয়েছে। নির্বাচনের দিন প্রতিঘণ্টার ভোটের হিসাব দেখতে চেয়েছিলাম। ৭ দিন সময়ও দিয়েছি। কিন্তু ১০ দিন পরেও এই তথ্য কমিশন দিতে পারেনি। নির্বাচনে ৪ হাজার ৮৮৫টি ইভিএম ব্যবহার করা হয়। সেখানে মাত্র ১০টি বুথে ইভিএম’র প্রিন্টেড কপি দেওয়া হয়েছে। যদি ১০টি বুথের ইভিএম’র প্রিন্টেড কপি থাকে তাহলে সবগুলো ইভিএম’র প্রিন্টেড কপি থাকার কথা। কিন্তু তারা এটা দেখাতে ব্যার্থ হয়েছে। ভোট কারচুপির অভিযোগ এবং বির্তকিত নির্বাচন বাতিল করে নতুন তফশীল ঘোষণা মাধ্যমে নিরপেক্ষভাবে পুণ:নির্বাচনের দাবীতে ৯ জনকে বিবাদী করে এ মামলা দায়ের করা হয়েছে।