আমরা শিশুর জীবন রঙিন করতে চাই: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমরা শিশুর জীবন রঙিন করতে চাই। তাদের লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলা ও মানসিক বিকাশে নানা আয়োজন করছি। প্রতিটি উপজেলায় স্টেডিয়াম করে দিচ্ছি। শিক্ষার পাশাপাশি শিশুদের মানসিক বিকাশে সাংস্কৃতিক চর্চা ও খেলাধুলার জন্য সরকার বিশেষ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০১তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে বুধবার গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় আয়োজিত শিশু সমাবেশে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

বিশ্বের কোথাও কোনো শিশুর অকালমৃত্যু তাঁকে ভীষণভাবে নাড়া দেয় উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের সরকার শিশুদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে যে কোনো ধরনের শিশু নির্যাতনের বিরুদ্ধে তৎক্ষণাৎ ব্যবস্থা গ্রহণ করছে। আমরা চাই, আমাদের শিশুরা নিরাপদ থাকবে, সুন্দরভাবে বাঁচবে এবং মানুষের মতো মানুষ হবে। তিনি বলেন, আমরা চাই, এ পৃথিবীটা শিশুদের জন্য নির্ভরযোগ্য, শান্তিপূর্ণ, বাসযোগ্য স্থান হোক। যেখানে প্রতিটি শিশুর একটি ভবিষ্যৎ গড়ে উঠবে। শিশুরাই দেশের ভবিষ্যৎ। কাজেই সঠিকভাবে তাদের মেধা ও জ্ঞানকে বিকাশের সুযোগ আমাদেরই করে দিতে হবে। সেজন্য উপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি জরুরি।

শিশুদের উদ্দেশে তিনি বলেন, এবারের শিশু দিবসের মূল প্রতিপাদ্য— বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন, শিশুর জীবন করো রঙিন। সব সময় যদি বলে পড় আর পড়, কারো ভালো লাগে? তোমাদের ভালো লাগবে? এজন্য শিশু বঙ্গবন্ধু খেলাধুলা করেছেন। এ দেশের প্রতিটি শিশুর খেলাধুলাসহ নানা আয়োজনে মানসিক বিকাশের ব্যবস্থা আমরা নিয়েছি।

এসময় শিশু বক্তারা বলে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমরা আপনাকে মিস করছি। জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তোমরা ভালো আছো? তোমরা ঠিকমতো পড়াশোনা করো। আমি ও আমার ছোটবোন শেখ রেহানা টুঙ্গিপাড়াতেই থাকি। আজ আমি তোমাদের সঙ্গে নেই, কিন্তু আমার মন পড়ে আছে টুঙ্গিপাড়ায়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফলিলাতুন্নেসা ইন্দিরা, সচিবসহ সরকারের পদস্থ কর্মকর্তা এবং আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ। এরপর শিশুদের অংশগ্রহণে বঙ্গবন্ধুর জীবনালেখ্য নিয়ে বিশেষ সাংস্কৃতিক উপস্থাপনা প্রদর্শন করা হয়।