মোদি বিরুদ্ধি বিক্ষোভে উত্তাল বায়তুল মোকারম এলাকা

রাজধানীর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররম এলাকায় মোদি বিরোধী আন্দোলনে উত্তাল হয়ে উঠেছে পুরো এলাকা। মুসলমানদের ওপর হামলার প্রতিবাদে আজ শুক্রবার (১৯ মার্চ) জুমার নামাজের পর বায়তুল মোকারমের ভিতর থেকে বিক্ষোভ শুরু করে সমমনা ইসলামী দলগুলো। প্রথমে পুলিশি বাধার সম্মুক্ষিন হয়। পরবর্তিতে পুলিশ পরিস্থিতি শিথিল করলে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে রাস্তায় নেমে আসে মুসল্লিরা।

এতে অংশ গ্রহন করেছে সমমনা ইসলামী দলগুলো। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ঢাকা সফরের প্রতিবাদে সমমনা ইসলামী দলগুলো এই বিক্ষোভ মিছিল করে। বায়তুল মোকারমের উত্তর গেইট থেকে শুরু করে পল্টন মোর হয়ে কাকরাইল এলাকা প্রদক্ষিন করে। এসময় পুলিশকে সতর্ক অবস্থায় দেখা যায়।

এর আগে ১৫ই মার্চ, হেফাজতে ইসলামের বাংলাদেশের আমীর আল্লামা জুনাইদ আহমদ বাবুনগরী বলেছেন, যুগে যগে যারাই ইসলামের বিরোধীতা করেছে তারা টিকে থাকতে পারেনি। নমরুদ, ফেরাউন ইসলামের বিরোধীতা করে উৎখাত হয়েছে। ইসলামের দুশমন আবু জাহেল নবীজির বিরোধিতা করতে করতে হারিয়ে গেছে। আবু জাহেলের খালাতো ভাই ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁ নবীজিকে নিয়ে ব্যাঙ্গ করেছে, ভারতের মোদি মুসলামানদের গাজরের মতো কেটে কেটে হত্যা করেছে। তারাও টিকতে পারবে না। কসাই মোদিকে বাংলাদেশে ঢুকতে দেওয়া হবে না।

ঐদিন বিকাল ৩টায় সুনামগঞ্জের দিরাই পৌর শহরের স্টেডিয়াম মাঠে উপজেলা হেফাজতে ইসলাম আয়োজিত শানে রিসালত মহা সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন আল্লামা জুনাইদ আহমদ বাবুনগরী। এ সময় তিনি আরো বলেন, যারা নবীর নামে কুৎসা রটনা করে বিরুদ্ধাচারণ করে তাদের বিরুদ্ধে সংসদে আইন পাসের মধ্য দিয়ে শাস্তির বিধান রাখতে হবে। হেফাজতের আন্দোলন ক্ষমতার জন্য নয়, বাংলার মাটিতে নবীজির সম্মান রক্ষার আন্দোলন চালিয়ে যাবে, প্রয়োজনে রক্ত ঝড়াবে।